শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত জনসভায় আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি আজ খুব ভালো আছি। বহু বছর পর নানির বাড়ি এসেছি। আলহামদুলিল্লাহ। নাতি এসেছে, নাতিকে কিছু একটা দিতে হবে—তাই না? কী দেবে নানিবাড়ির লোক? ভোট দেবেন। কিসে ভোট দেবেন? ধানের শীষে।” তার বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
তারেক রহমান বলেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের মানুষের জন্য বহু বছর পর রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নিয়ে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই নির্বাচন শুধু ভোট দেওয়ার বিষয় নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশ পুনর্গঠনের একটি ঐতিহাসিক লড়াই।
গত ১৬ বছরে বিএনপির বহু নেতাকর্মী রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এমন দেশ হতে পারে না, যেখানে মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবে। এবার সেই অবস্থা পরিবর্তন হবে।”
তিনি আরও বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে এলাকায় স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ, নারীদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ভবিষ্যতেও সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন তিনি।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন।
এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাসেল আলী চৌধুরী লিমন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল হোসেন, বিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিঞা মোঃ মামুন হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমানসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ জনগণ।

0 মন্তব্যসমূহ